“শিল্প এখন মুক্ত, তাই শিল্পকেই এখন প্রমাণ করতে হবে যে সে মুক্তির যোগ্য।”
-ভিক্টর হ্যুগো
“শিল্প এখন মুক্ত, তাই শিল্পকেই এখন প্রমাণ করতে হবে যে সে মুক্তির যোগ্য।”
-ভিক্টর হ্যুগো
স্কুলের মঞ্চে ‘নমো গাথা’, শেষে পড়ুয়াদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—বিতর্ক তুঙ্গে
প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর ঘিরে ‘নমো সেবা: অজানা কাহিনি’; শিক্ষা দফতরের পাঠানো চিত্রনাট্যেই ধর্মীয় স্লোগানের সংযোজন নিয়ে প্রশ্ন
স্কুলের মঞ্চে নাটক। সামনে দর্শকও স্কুলপড়ুয়ারাই। আর সেই নাটকের শেষ দৃশ্যে দর্শকদের দিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়ানোর নির্দেশ রয়েছে চিত্রনাট্যে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজ্যের স্কুলগুলিতে মঞ্চস্থ হওয়া ‘নমো সেবা: অজানা কাহিনি’ ঘিরে এবার এই অভিযোগ সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হল। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে
সম্পাদকীয়
একটি ইংরেজি দৈনিক কাগজে সপ্তাহে নিয়মিত একটা পাতা জুড়ে কলকাতার স্কুল পড়ুয়াদের থিয়েটার ডান্সের ছবি সহ খবর সেভাবে ছাপা হয়ে চলেছে। তাতে একটা কথা স্পষ্ট যে ইংরেজি-মাধ্যম স্কুল কর্তৃপক্ষ থিয়েটার যে ছোটদের শিক্ষার একটা অঙ্গ এইটা বক্তৃতায় শুধু নয়, প্রয়োগেও বিশ্বাস করেন।
একেবারে উল্টো চিত্র বাংলা মাধ্যমের স্কুল কর্তৃপক্ষের মনোভাবে। সেখানে নিয়মিত তো দুর-বার্ষিক অনুষ্ঠানে একবার 'অবাক-জলপান', 'রোগীর-চিকিৎসা' জাতীয় নাটক করার যে একটা রীতি ছিলো কিছু বছর আগেও, এখনকার স্কুল-কতৃপক্ষ সেটাও প্রায় বাতিল করেছেন, পড়াশুনোর ক্ষতি-আশঙ্কায়।
কোনো কোনো নাট্যদল তাদের নিজেদের তাগিদে যখন
কার্টেন কলে ছবি তোলার প্রতিবাদে কেট ব্ল্যানচেট
থিয়েটারের অন্ধকারে হঠাৎ জ্বলে উঠল একটি মোবাইলের পর্দা। মঞ্চে তখন অভিনয় চলছে। দর্শকের চোখ যেমন সেই আলোয় আটকে যেতে পারে, তেমনই অভিনেতারও। কিন্তু সমস্যাটি শুধু কয়েক সেকেন্ডের একটি আলো নয়। মোবাইলের ক্যামেরা যখন মঞ্চের দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন দর্শক আর কেবল দর্শক থাকেন না—তিনি হয়ে ওঠেন একজন রেকর্ডার। আর সেই জায়গাতেই সাম্প্রতিক সময়ে প্রশ্ন উঠছে, লাইভ থিয়েটারের অভিজ্ঞতা কি ধীরে ধীরে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য তৈরি একটি ছোট ভিডিওতে পরিণত হচ্ছে?
লন্ডনের ন্যাশনাল থিয়েটার-এ সম্প্রতি সেই প্রশ্নই নতুন করে সামনে এনে দিলেন
প্রকৃতি ও থিয়েটার: সম্পর্কের প্রকরণ
প্রকৃতির সঙ্গে থিয়েটারের সম্পর্কটা আসলে ঠিক কী বা কেমন? দর্শনশাস্ত্রে এই নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। দর্শনের ধারায় সেমিওটিক্সের আলোচনায় বারবার ঘুরেফিরে এসেছে এই প্রসঙ্গ। কিন্তু সত্যিই যে থিয়েটার আমরা দেখি তার সঙ্গে প্রকৃতির যোগাযোগ ঠিক কতটা - সেইটা ভেবে দেখবার বিষয় বইকি!
সাম্প্রতিককালে স্টিভেন সি. হ্যামেল দেখিয়েছেন যে শিল্পের মৌলিক অবস্থানের মধ্যেই দুটো পর্যায় রয়েছে। প্রথমত সে অবশ্যই বৃহত্তর প্রকৃতির অংশ এবং দ্বিতীয়ত সে কখনোই প্রকৃতির হুবহু প্রতিচ্ছবি নয়। ফলত শিল্প এবং প্রকৃতির সম্পর্ক আসলে এক গভীর দার্শনিক সমস্যাও বটে।
আসলে থিয়েটার কেন - এই প্রশ্ন নিয়ে
ব্রিকস থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল
নয়াদিল্লিতে সদ্য শেষ হয়েছে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। তার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানীতে আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসবের ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। আগামী ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘ব্রিকস থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল ২০২৬’। ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির নাট্যশিল্পী এবং বিভিন্ন প্রযোজনা এই উৎসবে অংশ নেবে। আজ ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার প্রাঙ্গণে আসন্ন উৎসব নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব বিবেক আগরওয়াল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার কথা রয়েছে।
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে বসেছিল অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেই সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে
আলোমুখের মহানায়ক স্মরণ
গত ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবার্ষিকীতে উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা জানিয়ে হাওড়া রামগোপাল মঞ্চে আলোমুখ হাওড়া পরিবেশন করলো তাদের নতুন নাটক "হার মানা হার"-এর প্রথম অভিনয়। নাটকের বিষয় ও আঙ্গিক অন্য রকমের। উত্তম কুমার সুচিত্রা সেনকে কেন্দ্র করেই নাটক। দুই চরিত্র সরাসরি নাটকে না থাকলেও তাঁরাই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র। নাটকে রয়েছে
সম্পর্ক নাট্যদলের নবনাট্য
গত ৭ সেপ্টেম্বর অনুচিন্তন আর্ট সেন্টারে সম্পর্ক নাট্যদলের প্রযোজনায় অভিনীত হল নাট্য 'বন্ধু কোথায় থাকে'। নাটক প্রসঙ্গে দলের তরফে জানান- " আমাদের চারপাশ দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে, বদলে যাচ্ছে দৈনন্দিন সম্পর্কের সমীকরণ। কিন্তু এত পরিবর্তনের মধ্যেও বন্ধুত্বের সংজ্ঞা কি বদলায়? ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি যেন আরও প্রকট। দূরত্ব, সোশ্যাল মিডিয়ার আধিপত্য এবং প্রতিনিয়ত নিজেদের প্রতিযোগিতার দৌড়ে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা বদলে দিয়েছে সম্পর্কের ধরন। ছোট থেকে বড়—ব্যস্ততার এই পৃথিবীতে সম্পর্কের সহজতাও যেন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায়ই মনে করা হয়
চেনা ম্যাকবেথ, অচেনা সময়—‘রক্তচন্দ্রিমা’
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: শেক্সপিয়রের ‘ম্যাকবেথ’-এর চিরন্তন ক্ষমতালিপ্সা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও নৈতিক স্খলনকে সমকালীন প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে দেখার চেষ্টা করল সাউথ গড়িয়া আনন্দ মহল থিয়েটার গ্রুপের একাঙ্ক প্রযোজনা ‘রক্তচন্দ্রিমা’। গত ১৩ সেপ্টেম্বর কলকাতার মুক্ত অঙ্গন রঙ্গালয়ে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। রচনা ও নির্দেশনায় সৌরভ মুখোপাধ্যায়, সহকারী নির্দেশনায় ইন্দ্রানী পাল।
‘রক্তচন্দ্রিমা’ সরাসরি ‘ম্যাকবেথ’-এর অনুবাদ বা পুনর্নির্মাণ নয়। মূল নাটকের চরিত্র ও দ্বন্দ্বকে অবলম্বন করে সমকালীন এক
শিশির মঞ্চে এক সন্ধ্যায় দুই বাংলার দুই নাট্যকারের দুই নাটক
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: সমতট সংস্কৃতির উদ্যোগে কলকাতার শিশির মঞ্চে এক সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হল দুই বাংলার দুই প্রখ্যাত নাট্যজন হুমায়ূন আহমেদ ও অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি নাটক। দুটি প্রযোজনাতেই উঠে এল প্রবীণ মানুষের একাকিত্ব, অসহায়তা, অব্যক্ত বেদনা এবং জীবনের সায়াহ্নের নানা অনুচ্চারিত কথামালা।
প্রথম নাটকটি হুমায়ূন আহমেদের ‘অসময়’ অবলম্বনে। পরিচালনায় বাসুদেব হুই ও অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র অবসরপ্রাপ্ত, অকৃতদার অশোকবাবু। ৬৩তম জন্মদিনে তিনি সিদ্ধান্ত নেন
নাট্যমুখপত্রে বিজ্ঞাপন দিতে চান ?
নাট্যমুখপত্রে খবর পাঠাতে চান ?